লগইন
লগইন

ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা সচল রাখতে বড় ধরনের আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৭ সালের জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মোট ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা ক্রুড অয়েল আমদানির প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি পর্যায়ে জিটুজি বা সরকার থেকে সরকার চুক্তির আওতায় এই জ্বালানি তেল সংগ্রহ করা হবে।

সম্প্রতি ঢাকায় সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই আমদানির প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি বা ডিপিএম অনুসরণ করে এই তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো এবং আবুধাবির ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি বা এডনকের কাছ থেকে এই জ্বালানি সংগ্রহ করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই বিশাল পরিমাণ তেল আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থা বা আইটিএফসি থেকে ঋণ হিসেবে সংগ্রহ করা হবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে এই দুই দেশের নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের কাছ থেকে তেল এনে রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করে আসছে। শোধনাগারের কারিগরি বৈশিষ্ট্যের কারণে অ্যারাবিয়ান লাইট এবং মারবান ক্রুড অয়েল প্রক্রিয়াজাত করা সবচেয়ে বেশি লাভজনক ও উপযোগী হওয়ায় এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে বৈঠকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৭ সালের প্রথম ৬ মাসে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে দরপত্র প্রস্তুত ও জমা দেওয়ার সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কৃষিখাতের চাহিদা মেটাতে মরক্কো থেকে চারশ কোটির বেশি টাকা ব্যয়ে সার আমদানির একটি প্রস্তাবও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছে।

মন্তব্য করুন