লগইন
লগইন

জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একষট্টিতম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে মোট ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক দায়িত্ব পেয়েছেন। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এই কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা বা লিগ্যাল অফিসার হিসেবে আইনি বিষয়াদি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাইমা রহমানকে। মূলত জাতিসংঘের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই অধিবেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দাপ্তরিক তথ্য ও পদব tâ তালিকা প্রকাশ করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জাইমা রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চিকিৎসক জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যাসন্তান। পারিবারিক সূত্রে তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি। শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাজ্যের সুনামধন্য কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি কিছুদিন আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হন যা তার পেশাগত যোগ্যতার পরিচয় দেয়।

খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞ কূটনীতিক আব্দুল আলিম অফিসের উপ-প্রধান বা ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেটের দায়িত্ব পালন করছেন যিনি দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক মিশনে সুনামের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। এছাড়া মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী হিসেবে, মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। অন্যদিকে জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলো-বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি খলিলুর রহমান গত সেপ্টেম্বর মাসের আট তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার এই সভাপতিত্বের অধীনেই সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের সভাপতি সরাসরি জাতিসংঘের নিয়মিত কর্মী নন এবং তিনি সংস্থাটি থেকে নিয়মিত কোনো বেতন পান না। সাধারণত সভাপতির যাবতীয় বেতন-ভাতা, আবাসনসহ অন্যান্য খরচ নিজ দেশ বা সরকার বহন করে থাকে যদিও কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও ব্যয় নির্বাহ করা হয়।

মন্তব্য করুন