লগইন
লগইন

প্রশ্নপত্র ফাঁসে সন্দেহ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা–কর্মচারীর দিকে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাছাই পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাজধানীজুড়ে নির্ধারিত ৯৮টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর আয়োজক কর্তৃপক্ষ চরম বিপাকে পড়ে। লাখো পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষাটি স্থগিত করার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঙ্গে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে জোরালো সন্দেহ করা হচ্ছে। পরীক্ষার গোপনীয়তা রক্ষা এবং প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা অভ্যন্তরীণ একটি চক্রের মাধ্যমেই এই প্রশ্ন বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অধিদপ্তরের ভেতরের এই দুর্নীতির উৎস খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে নীতিনির্ধারক মহল থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পরীক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রক্রিয়া এভাবে পণ্ড হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া হাজার হাজার তরুণ-তরুণী রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষার স্থগিতাদেশ শুনে হতাশা প্রকাশ করেন। তারা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে আগামীতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই অনভিপ্রেত ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘব করতে খুব দ্রুত নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনরায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন