যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। দুই দেশের শীর্ষ এই নেতার সাক্ষাতকে কেন্দ্র করে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বিমানবন্দরে চীনা প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই উপস্থিত ছিলেন যা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের দিক থেকে বেশ বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিমানবন্দরের টারম্যাকে সরাসরি বিমানের সিঁড়ির কাছে গিয়ে সি চিন পিংকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প। কূটনৈতিক মহলের মতে, দুই পরাশক্তির মধ্যকার চলমান বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ সম্মান প্রদর্শন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আন্তরিক আচরণ দুদেশের দ্বিভাষিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বরফ গলাতে সাহায্য করবে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এই যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে উভয় দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বৈশ্বিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব অনস্বীকার্য হওয়ায় এই বৈঠকের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে পুরো বিশ্বের। বিশেষ করে বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে দুই নেতার মধ্যে কোনো সমঝোতা হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সফরের এই প্রাথমিক পর্যায়ে দুই নেতার উষ্ণ কুশল বিনিময় ও হাসিমুখের ছবি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পেয়েছে। আনুষ্ঠানিক বৈঠকগুলোতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিনিধিদল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সহযোগিতা স্মারক নিয়ে আলোচনা করবেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।