লগইন
লগইন

মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্ট অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী জেবা ইসলাম সেরাজ

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা বাড়াতে এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে সম্প্রতি একটি বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্টস শিরোনামের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা শোনার পাশাপাশি গবেষণার নানা দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করার সুযোগ পায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের বিশিষ্ট অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে নিজের বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার পেছনের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। আলোচনা চলাকালীন শিক্ষার্থীরা তাদের নানা কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন করেন এবং তিনি অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে সেগুলোর উত্তর দেন। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে গবেষক হয়ে ওঠার যাত্রায় দৃঢ় সংকল্প, নিয়মিত চর্চা এবং মানসিক ধৈর্যের গুরুত্ব তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তায় বিজ্ঞানী জেবা ইসলাম সেরাজ চারপাশের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে কৌতূহলী হওয়ার এবং নিয়মিত প্রশ্ন করার তাগিদ দেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, প্রাত্যহিক জীবনের নানা সমস্যার পেছনে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজতে হবে এবং সেগুলোর স্থায়ী সমাধান বের করতে হবে। জীবনের যেকোনো পর্যায়ে যতই বাধা আসুক না কেন, কখনো হাল ছেড়ে না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগান তিনি। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই পুরো আয়োজনটি উপভোগ করে এবং বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ হয়।

এই শিক্ষামূলক আয়োজনে প্রধান আলোচক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলমগীর কবির এবং বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মো. তাজউদ্দিন। আয়োজক কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্দীপনামূলক কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞান শিক্ষা এবং গবেষণার বিস্তার ঘটাবে। ভবিষ্যতে দেশ গঠনে নতুন গবেষক ও বিজ্ঞানী তৈরিতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক ও দূরদর্শী ভূমিকা পালন করবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

মন্তব্য করুন