লগইন
লগইন

হামলা–ভাঙচুর–দখলের ঘটনায় বিব্রত সরকার

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের নানা প্রান্তে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দখলের বিভিন্ন ঘটনায় তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দায়িত্ব নেওয়া এই প্রশাসন দেশে দীর্ঘমেয়াদী শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু কিছু দুষ্কৃতকারী ও স্বার্থান্বেষী মহলের এমন বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড সরকারের সার্বিক অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে নীতিনির্ধারক মহল।

বিভিন্ন সরকারি সূত্রে জানা গেছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকার মনে করে, এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি করছে এবং নতুন বাংলাদেশের যে গণতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ভাবমূর্তি তুলে ধরা হচ্ছে, তাতে কালিমা লেপন করছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে এই ধরনের নৈরাজ্যমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর ও দৃশ্যমান ভূমিকার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের তরফ থেকে আরও কঠোর বার্তা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনোভাবেই অরাজকতা বরদাশত করা হবে না এবং জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে যেকোনো মূল্যে কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য করুন