আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে কিছু পরিচালনাগত বিধিনিষেধ আরোপ করায় বাংলাদেশ থেকে চলাচলকারী বিমান চলাচলে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন রুট থেকে সৌদি আরবগামী এবং সেখান থেকে ফেরত আসা প্রায় একশটি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারেনি। এসব ফ্লাইটে যাতায়াতকারী অসংখ্য প্রবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্পোগের মুখে পড়েন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ফ্লাইট সূচি বিপর্যয়ের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রীর ওপর। নির্ধারিত সময়ে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দর চত্বরে অপেক্ষা করতে হয়। কেউ কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা টার্মিনালে অলস সময় কাটিয়েছেন, আবার অনেককে ফ্লাইট বাতিলের কারণে পুনরায় টিকিট বুকিংয়ের ঝামেলা পোহাতে হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের আকস্মিক এই নিয়মকানুন ও পরিচালনাগত জটিলতার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোও ফ্লাইট ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খায়। যাত্রীদের সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এয়ারলাইনসগুলোর পক্ষ থেকে বিকল্প ব্যবস্থার চেষ্টা করা হলেও বিপুল সংখ্যক যাত্রীর চাপ সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে প্রবাসীরা সময়মতো কর্মস্থলে যোগ দিতে না পেরে পেশাগতভাবেও উদ্বেগের মধ্যে পড়েন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যাত্রীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক আকাশপথে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় আগাম প্রস্তুতির ঘাটতির বিষয়টি আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।